Contact: 8951233, +880 1911 485949
Golden Bangladesh, House#6, Road-1, Sector-4, Uttara, Dhaka-1230
নূরজাহান মুরশিদ

Pictureনূরজাহান মুরশিদ
Nameনূরজাহান মুরশিদ
DistrictDhaka
ThanaNot set
Address
Phone
Mobile
Email
Website
Eminent Typeমন্ত্রীসভার প্রথম নারী সদস্য
Life Style

সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ নূরজাহান মুরশিদ ১৯২৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।নূরজাহান মুরশিদ বাংলার নারী জাগরণের বিশিষ্ট নেত্রী, রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ ও সংসদ সদস্য, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী। নূরজাহান মুরশিদ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে তৎকালীন পাকিস্তানে আইয়ুবের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে এবং মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে সমুস্থিত ছিলেন।

পরিবার
১৯৪৮ সালে নূরজাহান মুরশিদ- এর বিয়ে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান সরওয়ার মুর্শিদের সঙ্গে। অধ্যাপক খান সরওয়ার মুর্শিদ বিশিষ্ট অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী ও কূটনীতিক। এ বিয়ের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নূরজাহান মুরশিদের শ্বশুর, রাজনীতিবিদ আলী আহমেদ খান। মূলত শ্বশুরের আগ্রহেই তিনি রাজনীতিতে আসেন। খান সরওয়ার মুর্শিদ এবং নূরজাহান মুরশিদ- এর চার সন্তান প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা।

কর্মজীবন
এক সম্ভ্রান্ত এবং শিক্ষিত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়া নূরজাহার মুরশিদ প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে চাকরি করেন অল ইন্ডিয়া রেডিও তে। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় বরিশালের মজিদুন্নেছা গার্লস স্কুলের হেড মিস্ট্রেস হিসেবে। তারপর কলকাতায় মুসলমান মেয়েদের জন্য খোলা মন্নুজান হলের সুপারিনটেন্ডেন্ট। ১৯৫০ সালের গোড়ার দিকে পূর্ব পাকিস্তানে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন এবং দেশের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন। রাজনীতি সচেতন নূরজাহান মুরশিদ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি ছিলেন সক্রিয়। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। তাঁর উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয় আওয়ামী মহিলা শাখা। পরবর্তীতে মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে গণফোরাম নামে নবগঠিত রাজনৈতিক দলে যোগদান করেন এবং আমৃত্যু তার সদস্য ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে নূরজাহান মুরশিদ বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম সংসদের একজন সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও ছিলেন।

তিনি ১৯৩৮ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। স্কুলজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এরপর আইএ, বিএ পাস করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এ সময়েই তিনি স্পোর্টস কমিটিতে ছিলেন। খেলাধুলায় তিনি ছিলেন বেশ দক্ষ ও পারদর্শী। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে নূরজাহান মুরশিদ বরিশালের সৈয়দুন্নেসা গার্লস হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে এক বছর কর্মরত ছিলেন। এরপর কলকাতায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মুসলমানদের জন্য বিবেকানন্দ রোডে মুন্নুজান হোস্টেলের সুপারিনটেন্ডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন কমিউনিস্ট নেত্রী রেণু চক্রবর্তীর সান্নিধ্যে এসে বাম আদর্শ ও কমিউনিজম বিষয়ে অনুশীলন করেন। চলিস্নশ দশকের প্রথমদিকে নূরজাহান মুরশিদ জড়িয়ে পড়েন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে। গান্ধীজী শান্তির জন্য অনশন শুরু করলে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে কাজ শুরু করেন নূরজাহান মুরশিদ। এমনকি সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তিনি বেশ কয়েকবার গান্ধীজীর কাছে যান। হিন্দু-মুসলমান হামলায় মুন্নুজান হল বিধ্বস্ত হলে বিবেকানন্দ রোড থেকে হলটি স্থানান্তরিত করা হয় পাকসার্কাসের দরগা রোডে। নূরজাহান মুরশিদ কয়েকজন মুসলমান ছেলেমেয়ে নিয়ে কালচার সেন্টার গঠন করেন। এর সভাপতি ছিলেন ব্যারিস্টার লতিফ। এই কেন্দ্রের উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক বিষয়ের ওপর আলোচনা। তবে মুসলিম লীগের রাজনীতি থেকে এ দলের রাজনীতির ধারা আলাদা ছিল। এর অল্পদিনের মধ্যে দেশ বিভক্ত হলে নূরজাহান মুরশিদ পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তখন বাধা হয়ে দাড়ঁালো তার চাকরি। নূরজাহান মুরশিদ তার বন্ধু সুকুমারী ভট্টাচার্যকে সব দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ঢাকা চলে আসেন। এরপর তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিওতে প্রথম নারী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক খান সারওয়ার মুরশিদের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন নূরজাহান মুরশিদ। বিয়ের পর বাবার আগ্রহে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন আর শ্বশুরের আগ্রহে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তার শ্বশুর বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির সদস্য ছিলেন। ১৯৫১ সালে নূরজাহান মুরশিদ বন্যাপীড়িতদের সাহযার্থে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তার ক্লাবের উদ্যোগে অভিনীত শরৎচন্দ্রের বিজয়া নাটকে বিজয়ার ভূমিকায় অভিনয় করেন। মূলত তার শ্বশুরবাড়ি সাংস্কৃতিকমনা হওয়ায় তখন তিনি অভিনয় করতে পেরেছেন। ১৯৫৪ সালে নূরজাহান মুরশিদ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে এমএলএ নির্বাচিত হন। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সময় নূরজাহান মুরশিদ আইয়ুব শাহীর ছাত্র-শিক্ষক নিধনযজ্ঞের পর বেশ সোচ্চার হয়ে ওঠেন। তিনি শিক্ষকদের স্ত্রী আর মা-মেয়েদের একত্রিত করে নারী আন্দোলন গড়ে তোলেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের সোচ্চার দাবি জানান নূরজাহান মুরশিদ। ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নূরজাহান মুরশিদ নির্বাচনে জয়লাভ করে। নারীর সমান অধিকার আদায় ও ক্ষমতায়নের বিষয়টি সামনে রেখেই তিনি এদেশ-একাল নামে একটি পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে নারী আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রয়াস পেয়েছিলেন। এটি দেশের প্রথম জেন্ডার বিষয়ক পত্রিকা। এতে নারীর বৈষম্য, নারী নির্যাতন, নারীর ক্ষমতায়ন এসব গুরুত্ব পেয়েছে। তার এদেশ-একাল পত্রিকা নয়া নারীবাদী আন্দোলনের মুখপত্র এবং পত্রিকাটি জীবনমুখী ও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে বুদ্ধিচর্চা করেছে। নূরজাহান মুরশিদ ১৯৬৯-৭১ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পাকিস্তান আওয়ামী লীগ মহিলা শাখার সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে নারীদের সংগঠিত ও উদ্বুদ্ধ করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭০ সালে তিনি গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। একাত্তরের ২২ মার্চ চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্বে সুফিয়া কামাল, মালেকা বেগম, নূরজাহান মুরশিদসহ আরো অনেকে সর্বশেষ সফরে যান। একাত্তরের ২৫ মার্চ নূরজাহান মুরশিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। ভয়াবহ বিভীষিকাময় রাত পার করার পর তিনি ঢাকায় থাকা আর নিরাপদ মনে করেন না। নূরজাহান মুরশিদ গায়ে কম্বল জড়িয়ে ছদ্মবেশে পরিবার নিয়ে বের হন। কুমিলস্নার কালীনগর, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় দুচারদিন করে থাকেন। এমন সময় একদিন ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় বিমান থেকে গোলাবর্ষণ হলে নূরজাহান মুরশিদ কোনোভাবে দেশের অভ্যন্তর থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে প্রথমে আগরতলা এমপি হোস্টেলে আশ্রয় নেন। এরপর তিনি এবং তার স্বামী চলে যান কলকাতায়। কলকাতায় তারা সুকুমারী ভট্টাচার্যের বাসায় কিছুদিন অবস্থান করেন। তাদের সন্তানরা ছিল অন্যত্র। এরপর নূরজাহান মুরশিদ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন কাজে যুক্ত হন। এরই মধ্যে ভারতে গঠিত হয় বাংলাদেশ অস্থায়ী যুদ্ধকালীন সরকার। নূরজাহান মুরশিদ এই সরকারের নানান দপ্তরের কাজে নিয়োজিত হন। তিনি যুদ্ধ ক্যাম্পগুলোতে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অস্ত্র সরবরাহ করতেন নিয়মিত। পাশাপাশি শরণার্থী শিবিরে খাদ্য, বস্ত্র আর ওষুধের জোগান দিতেন। অস্থায়ী হাসপাতালগুলোতে ওষুধ, ইনজেকশন ও রক্ত সরবরাহের কাজে নিয়োজিত ছিলেন নূরজাহান মুরশিদ। এসব কিছু সংগ্রহের জন্য তিনি ভারত সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার কাছে নিয়মিত আবেদন ও যোগাযোগ রক্ষা করেন। বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের অধীনে একটি পার্লামেন্টারি দল গঠিত হলে নূরজাহান মুরশিদ এই দলের সদস্য হয়ে কাজ করেন। এই দলটির উদ্দেশ্য ছিল ভারতকে স্বাধীন বাংলাদেশ ও মুজিবনগর সরকারের স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করা। এই লক্ষ্যে দলটি মুম্বাই, মাদ্রাজ, দিলিস্ন, লক্ষ্নৌ সফর করে দিলিস্নতে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে দাবিটি তুলে ধরেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নূরজাহান মুরশিদ বিভিন্ন এলাকা সফরকালে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি দিলিস্নতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভি ভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, স্পিকার ধীলন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজ্জীবন রাম ও বিরোধী দলের নেতা ফখরুদ্দীন আলী আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দিলিস্নর পার্লামেন্ট হাউসের সেন্টার হলে ভারতীয় পার্লামেন্টে উভয় পরিষদের যুক্ত অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করার জন্য বক্তব্য পেশ করেন। এখানে উলেস্নখ করা হয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় যেভাবে বেপরোয়া আক্রমণ চালিয়ে শত শত নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে সেই পাকিস্তানের সঙ্গে আমরা কোনোরকম সম্পর্ক রক্ষায় আগ্রহী থাকতে পারি না। আর এ সংবাদ ছবিসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হলে ইয়াহিয়া খান নূরজাহান মুরশিদের অনুপস্থিতিতে তার বিচার করেন। বিচারের রায়স্বরূপ নূরজাহান মুরশিদকে ১৪ বছরের কারাদ-ে দ-িত করে পাশাপাশি তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে এক ইশতেহার জারির মাধ্যমে। দেশ স্বাধীন হলেও নূরজাহান মুরশিদ কাজ করেন নিরন্তর। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। নূরজাহান মুরশিদ জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘদিন অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জাতীয় সংবিধান রচনার জন্য গঠিত গণপরিষদে তিনি সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। নূরজাহান মুরশিদ ছিলেন একজন প্রাণবন্ত ও নিবেদিতপ্রাণ নেত্রী। তিনি কখনো হতাশ হতেন না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হলে দিশেহারা না হয়ে এগিয়ে যান নূরজাহান মুরশিদ। এরপরের অনিশ্চিত ও ভীতিকর দিনগুলোতে যে কজন সাহসী সদস্য আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজে উদ্যোগী হলেন নূরজাহান মুরশিদ তাদের মধ্যে অন্যতম। দেশের যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো কাজ করে গেছেন তিনি। আস্তে আস্তে রাজনীতিকে বিপথগামী হতে দেখেছেন নূরজাহান মুরশিদ। আশির দশকে ভোটারবিহীন নির্বাচনের সাক্ষী তিনি। এ সময় নূরজাহান মুরশিদ দেশবাসীকে সমাজ ও সভ্যতা বাচঁাতে সুস্থ রাজনীতির পুনর্জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এই লক্ষ্য অর্জনে আরো অনেকের সঙ্গে একত্রিত হয়ে সীমিত শক্তি-সামর্থ্য নিয়ে ধারাবাহিক কার্যক্রম শুরু করেন। স্বৈরাচার পতনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন নূরজাহান মুরশিদ।

মৃত্যুবরণ:
২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর নূরজাহান মুরশিদ ইন্তেকাল করেন।

সূত্র : প্রিয় ডটকম

পিপিলিকা ডটকম

 

UploaderMd. Mijanur Rahman Niloy
No results found.
No results found.

© 2018 Golden Femina. Developed by Optimo Solution